ঝাড়গ্রামে খুশির হাওয়া: নতুন সরকারি যোজনায় মিলবে মাসিক পেনশন

Please Share With Your Friends

ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম ও জঙ্গলমহল এলাকার সাধারণ মানুষ, আদিবাসী সমাজ এবং প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা এবং সামাজিক কল্যাণমূলক পেনশন প্রকল্পের মাধ্যমে ঝাড়গ্রাম জেলার যোগ্য উপভোক্তাদের কাছে প্রতি মাসে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভাতা পৌঁছানোর কাজ আরও ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

বিশেষ করে প্রান্তিক, তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতি এবং আর্থিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলির জন্য জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় বাংলা সহায়তা কেন্দ্র (BSK)-গুলির মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সহজতর করা হয়েছে।

যে সব প্রধান পেনশন ও ভাতা প্রকল্পে আবেদন করা যাচ্ছে

ঝাড়গ্রাম জেলায় বর্তমানে যে সমস্ত প্রধান সামাজিক সুরক্ষা এবং পেনশন যোজনাগুলির সুবিধা মিলছে, সেগুলি হলো:

  • জয় জোহার পেনশন প্রকল্প: তপশিলি উপজাতি (ST) সম্প্রদায়ের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ মাসিক সহায়তা।
  • তপশিলি বন্ধু পেনশন যোজনা: তপশিলি জাতি (SC) সম্প্রদায়ের ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য মাসিক সামাজিক পেনশন।
  • বার্ধক্য ভাতা (Old Age Pension): সাধারণ ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর দুঃস্থ প্রবীণ নাগরিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য মাসিক আর্থিক ভাতা।
  • বিধবা ভাতা ও বিশেষ প্রতিবন্ধী পেনশন: অসহায় বিধবা নারী এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের আর্থিক স্বাবলম্বী করতে নির্ধারিত মাসিক সরকারি অনুদান।
  • লোকপ্রসার প্রকল্প: জঙ্গলমহলের আঞ্চলিক শিল্পী, লোকশিল্পী ও ধামসা-মাদল বাদকদের জন্য বিশেষ মাসিক রিটেইনার ফি ও পেনশন ভাতা।

কারা এবং কীভাবে আবেদন করবেন?

ঝাড়গ্রাম জেলার বাসিন্দা—যারা নির্দিষ্ট কোনো পেনশন প্রকল্পের অধীনে এখনও নথিভুক্ত হননি, তারা খুব সহজেই স্থানীয় পঞ্চায়েত, ব্লকের বিডিঅ (BDO) অফিস অথবা নিকটবর্তী বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে (BSK) গিয়ে যোগাযোগ করতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র:

১. আবেদনকারীর আধার কার্ড ও ভোটার আইডি।

২. জাতিগত শংসাপত্র (SC/ST পেনশনের ক্ষেত্রে)।

৩. নিজস্ব সক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবুক (ডিবিটি/DBT সুবিধার জন্য)।

See also  সময়সীমা বাড়ল ‘জনকল্যাণ শিবির’-এর: আরও বেশি মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ

৪. বয়সের প্রমাণপত্র ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

জেনে রাখা ভালো: আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর অনুমোদিত অর্থ সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (Direct Benefit Transfer – DBT)-র মাধ্যমে প্রতি মাসে জমা পড়ে, ফলে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর ঝামেলা থাকে না।

Author

  • Rakhi Dey

    আমি একজন বাঙালি স্কুল শিক্ষিকা এবং একজন মহিলা উদ্যোগপতি । আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা একাধিক অনলাইন ব্লগ চালাই। আমি এখানে আপনাদের অনলাইন ব্যবসা ও উপার্জনের হদিস দিতে চাই। যত বেশি সম্ভব শেয়ার করে বাকিদের সাহায্য ও উৎসাহিত করুন। Email: [email protected]

    View all posts

Please Share With Your Friends